বিজ্ঞাপন
https://www.behance.net/gallery/86648591/Social-Media-GIF-Banner-Ad/modules/501362131
অদম্য চেষ্টা আর কঠোর পরিশ্রমকে সঙ্গী করে সম্রাট এই পরিত্যক্ত জমিকে আজ রূপ দিয়েছেন এক সমৃদ্ধ ফল ও সবজির বাগানে। তার বাগানে ঢুকলে এখন দেখা মেলে সারিবদ্ধ টমেটো, বেগুন ও পেঁপে গাছ। ডালপালা মেলেছে লেবু গাছ, আর মাটির কোল ঘেঁষে হাসছে লাল শাকসহ হরেক রকমের পুষ্টিকর শাকসবজি। একসময় যেখানে কোনো ফলন ছিল না, সেখানে আজ প্রতিদিনই মিলছে বিষমুক্ত টাটকা ফসল।
বিজ্ঞাপন
সম্রাটের এই সফলতার পথ খুব একটা সহজ ছিল না। তিনি জানান, তার এই দীর্ঘ যাত্রায় ছায়া হয়ে পাশে ছিল স্থানীয় কৃষি বিভাগ। সম্রাট বলেন:
বিজ্ঞাপন
রাণীনগর উপজেলা কৃষি অফিসারের পরামর্শ, সার্বক্ষণিক সহযোগিতা এবং নিয়মিত মনিটরিং আমার কাজকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। কৃষি অফিসের সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চাষ করায় এবার ফলন হয়েছে দ্বিগুণ, আর আশ্চর্যের বিষয় হলো উৎপাদন খরচও কমেছে অনেকটা।
বিজ্ঞাপন
সম্রাটের এই অভাবনীয় সাফল্য এখন শুধু তার নিজের নয়, বরং এলাকার বেকার যুবকদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। তাকে দেখে স্থানীয় আরও অনেক যুবক এখন পরিত্যক্ত জমিতে ফসল ফলানোর স্বপ্ন দেখছেন। সম্রাটের এই উদ্যোগ প্রমাণ করেছে, দৃঢ় ইচ্ছা, সঠিক পরিকল্পনা আর আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার থাকলে কৃষিতেই গড়া সম্ভব উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে রাণীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার মোছাঃ মোস্তাকিমা খাতুন বলেন: সম্রাট এই এলাকার একজন আদর্শ উদ্যোক্তা। আমরা তাকে শুরু থেকেই প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও সঠিক পরামর্শ দিয়ে আসছি। ভবিষ্যতে এই ধরনের তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য আমাদের দপ্তরের দরজা সব সময় খোলা থাকবে। আমরা তাদের সব ধরনের প্রশিক্ষণ, নতুন প্রযুক্তি এবং পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকব যাতে কৃষিতে এমন বিপ্লব আরও ছড়িয়ে পড়ে।