বিজ্ঞাপন
https://www.behance.net/gallery/86648591/Social-Media-GIF-Banner-Ad/modules/501362131
আজ ২৬ শে মার্চ স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে এই অনন্য কৃতিত্ব পূর্ণ করে সংগঠনটি। সংগঠনটির এই সাফল্যের মূল কারিগর তাদের নিজস্ব ডাটাবেজ ও ওয়েবসাইট (www.raninagar.org)। জানা গেছে, গত বছরের ২৫ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর পর থেকেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে রক্তদাতাদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়। বর্তমানে এই ওয়েবসাইটে ৮০০-এরও বেশি স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতা নিবন্ধিত রয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
কোনো মুমূর্ষু রোগীর রক্তের প্রয়োজন হলে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে দাতা খুঁজে বের করা সম্ভব হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
সংগঠনটির প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ১২ আগস্ট ২০২৪ থেকে। দীর্ঘ প্রস্তুতি শেষে ২৫ জুলাই ২০২৫-এ এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। এই মানবিক উদ্যোগের পেছনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন একঝাঁক উদ্যমী তরুণ। সংগঠনটির উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত থেকে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ রাকিবুল হাসান।
বিজ্ঞাপন
সাফল্যের এই মাইলফলক সম্পর্কে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহীদ বলেন :
বিজ্ঞাপন
"আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের জীবন বাঁচানো। ৮০০+ জন নিবন্ধিত রক্তদাতা এবং ৫০০ ব্যাগ রক্তদান সম্পন্ন হওয়া আমাদের ওপর মানুষের আস্থার প্রতিফলন। আমরা কেবল একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না; আমাদের স্বপ্ন এই ডিজিটাল ওয়েবসাইটকে ও সামাজিক কার্যক্রমকে ভবিষ্যতে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া। প্রযুক্তি এবং তরুণ প্রজন্মের স্পৃহা যুক্ত হলে যেকোনো পরিবর্তন সম্ভব।"
সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুন্না আহমেদ প্রাং তার বক্তব্যে বলেন:
"রক্তদান কোনো সাধারণ দান নয়, এটি একটি জীবন দান। আমরা অরাজনৈতিকভাবে কেবল মানবিক সেবাকে সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছি। আজকের এই ৫০০ ব্যাগ রক্তদানের মাইলফলক আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। রাণীনগরের সাধারণ মানুষ ও স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় আমরা একটি বৈষম্যহীন ও সুস্থ সমাজ গড়তে বদ্ধপরিকর।"
সংগঠনটি বর্তমানে নওগাঁ জেলার- আত্রাই ও রাণীনগর উপজেলাকে কেন্দ্র করে কাজ করলেও তাদের পরিকল্পনা অনেক বড়। রক্তদানের পাশাপাশি শিক্ষা, পরিবেশ রক্ষা এবং দুস্থদের সহায়তায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে কাজ করছে এই তরুণরা। সংগঠনের সদস্যরা জানান, ভবিষ্যতে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা দেশের রক্তদাতা ও গ্রহীতাদের একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার স্বপ্ন দেখেন তারা।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, তরুণদের এমন গঠনমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর কাজ সমাজ পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখবে।